বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তিতাসের চার কর্মকর্তাসহ ৮ জনের জামিন: মসজিদে বিস্ফোরণ বিক্ষোভ সৌদি এয়ারলাইন্সের অফিসের সামনে দেশে করোনার র‌্যাপিড টেস্টিংয়ের অনুমতি দিয়েছে সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন ট্রাম্প: বাইডেন শাহিন আফ্রিদির বিশ্বরেকর্ড ছয় ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে ফের কোভিডে রূপ দেয়া হচ্ছে নন-কোভিড হাসপাতালগুলোকে: স্বাস্থ্য সচিব ঢাবি শিক্ষার্থী বললেন মজনুই ধর্ষক করোনায় শনাক্ত সাড়ে ৩ লাখ ছাড়ালো, মৃত্যু ৪০ দুদক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির ৪৪ কোটিপতির সন্ধান পেয়েছে ছেড়ে দেয়া হয়েছে নুরকে প্রধানমন্ত্রীর করোনার দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণ রোধে প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন গ্রেফতার ভিপি নুর নোয়াখালীতে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ১১১ তলা ভবন নির্মাণ হচ্ছে ঢাকায় দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে দ্বিতীয় দফা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ ও চন্দ্রগঞ্জে ইউপি উপ-নির্বাচন ও বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১০ খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর দাবি উঠতে পারে বিএনপি নেতাদের মন্তব্যে: তথ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু, কমেছে আক্রান্ত আর্সেনালের টানা দ্বিতীয় জয় করোনা পরিস্থিতি শীতে খারাপ হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় বিধিনিষেধে বাঁধার শঙ্কা

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

সরকারি কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া গণমাধ্যমে কথা বলতে না পারার বিধিনিষেধ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে ঝুঁকিতে ফেলবে, সঙ্কুচিত করবে অবাধ তথ্য প্রবাহকে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সচিবদের মন্ত্রণালয়ের দেয়া চিঠির প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলছেন সাংবাদিক নেতারা। তাদের মতে, ঔপনিবেশিক সময়ের এই বিধিনিষেধে সংবাদ প্রকাশে সৃষ্টি হবে প্রতিবন্ধকতা। প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযান পড়বে বাধার মুখে।

সরকারি চাকুরিতে অনুমতি ছাড়া কথা না বলার বিধিনিষেধ পুরোনো হলেও কর্মচারীদের শৃঙ্খলায় আনার নামে এ নির্দেশনা জারি নতুন করে জারি হয় নানা সময়ে। ১৯৭৯ সালে সামরিক শাসন আমলে করা, সরকারি কর্মচারি আচরণ বিধিমালার ২২ ধারাটি মনে করিয়ে দিয়ে ১৮ আগস্ট সব সচিবদের এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়েছে বিভাগীয় প্রধানের অনুমতি ছাড়া কর্মকর্তারা গণমাধ্যম বা অনলাইনে বক্তব্য, মতামত ও নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারবেন না।

তবে একবিংশ শতাব্দীর এই অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে, এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার গোলাম রহমান।

সাংবাদিক নেতারা বলছেন, তথ্যের গতি রোধে ঔপনিবেশিক আমলের এ আইন ও বিধির সীমাবদ্ধতা দূর করেছিলো তথ্য অধিকার আইন। তাতে বলা আছে রাষ্ট্র কখনো তথ্য নিয়ন্ত্রণ করবে না। কিন্তু নতুন এ আদেশ সেই তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মত তাদের।

তারা বলছেন, এরই মধ্যে এসব নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে ভুল বার্তা দিচ্ছে। এতে নানা পর্যায়ের অনিয়ম-দুর্ণীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানি প্রতিবেদন তৈরিতে বিপাকে পড়ছেন সাংবাদিকেরা।

৭৯-র আচরণ বিধিমালার বিধিতে আরও বলা আছে, সরকারি কর্মচারিরা চাকরির শুরুতেই নিজের ও পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তি হিসাব জমা দেবেন। কোনো লাভজনক বা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অংশিদার হতে পারবেন না। পাশপাশি অংশ নেয়া যাবে না রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও।

তবে সব বিধি মেনে চলায় গুরুত্ব না দিয়ে সরকার কেন শুধু তথ্যপ্রকাশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ সামনে আনছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা।

স্পর্শকাতর ঘটনাসহ নানা বিষয়ে তথ্য গোপন করতে এ প্রজ্ঞাপনকে সরকারি কর্মকর্তারা এখন ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবেন বলেও আশঙ্কা সংবাদিক নেতাদের।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *