রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিকদের জন্যই সাময়িকভাবে গণপরিবহন চালু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাল ঢাকায়, ৭ আগস্ট দেশজুড়ে অক্সফোর্ডের দ্বিতীয় ডোজ মালবাহী ট্রেন চলাচল শুরু চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুটে কারখানা খোলায়  সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এডিস নিধনে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা সরকার কৃষকদের লাভবান করতে ভর্তুকি দিচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী সবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা দরকার: মোমেন সপ্তাহে কোটির বেশি টিকা দেওয়ার টার্গেট গার্মেন্টসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ হওয়ার আশাবাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক প্রধানমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু কাল–পরশু অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় চালান আসলো জাপান থেকে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এপিজির সভাপতি বিদেশিদের শেয়ারবাজারে উৎসাহিত করতে ’রোড শো’ অনুমোদনহীন আইপি টিভির হলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে জেলা শিক্ষা অফিসারের সচেতনতা ক্যাম্পেইন, ৫০০০ মাস্ক বিতরণ শ্রমিকদের এখন কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয় লকডাউন চলমান রাখার সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

করোনাকালে কতটা নিরাপদ জিমে যাওয়া!

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

পৃথিবীতে করোনাভাইরাস মহামারির প্রাদুর্ভাব ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে মানুষের জীবনযাত্রায়। এখন আর আগের মতো যেখানে সেখানে যাওয়া যায় না। তবে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় কাজে অবশ্যই যেতে হবে। এখন সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অভ্যস্ত হতে হচ্ছে নিউ নর্মাল জীবনে। অনেকের কাছেই ব্যায়ামাগার বা জিমন্যাসিয়াম প্রয়োজনীয় কাজের একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। অনেকেই শরীর ফিট রাখতে শরীরচর্চা করেন নিয়মিত।কিন্তু প্রশ্ন হলো করোনার মধ্যে কতটা নিরাপদ জিমে যাওয়া?

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইমোরি ইউনিভার্সিটির সংক্রামক রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মেরিবেথ সেক্সটন বলেন, করোনাকালে জিমে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। জিম কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যায়ামের যন্ত্রগুলো দূরে দূরে রাখতে হবে, ভেতরে চলাচল সীমাবদ্ধ করতে হবে এবং লোকসমাগম সীমিত করতে হবে।

তিনি বলেন, শরীরচর্চায় গিয়ে জিমের লকার রুম পরিহার করুন। পানির বোতল এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হবে। এসব পদক্ষেপ অনেকাংশে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) পরামর্শ হলো, করোনাকালে জিমের পরিবেশ এবং পদক্ষেপ সম্পর্কে অনলাইনে খোঁজখবর নিন। এছাড়া যদি সম্ভব হয় ইনডোরের পরিবর্তে আউটডোর কার্যকলাপের খোঁজখবর নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, জিম কর্তৃপক্ষকে প্রতিবার ব্যবহারের পর যন্ত্রগুলো পরিষ্কার করতে হবে এবং অন্যান্য স্থান যেখানে নিয়মিত স্পর্শ করা হয় সেগুলো জীবানুমুক্ত করতে হবে। জিমে মাস্ক পরার দিকেও জোর দেন তারা। সেক্সটন জিমে অতিরিক্ত মাস্ক নেয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ঘামে ভিজে স্যাঁতসেতে হয়ে গেলে মাস্ক ততটা কার্যকর নাও হতে পারে।

সংক্রামক রোগের এই অধ্যাপক বলেন, এসব পদক্ষেপ নেয়ার পরও জিমে ঝুঁকি থেকেই যায়। কারণ জিমগুলোর বেশরিভাগই বদ্ধ ঘরে(ইনডোর, যেখানে বায়ু চালাচলের পথ সীমিত এবং সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি প্রতিকূল। এই মহামারির মধ্যে জিমে না ফিরে যদি শরীরচর্চা করা যায়, সেটিই হবে সবচেয়ে ভালো হয় বলে যোগ করেন সেক্সটন।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আপনি যদি বাইরে(হতে পারে কোনো পার্ক বা মাঠ) শরীরচর্চা করতে পারেন, জিমে যাওয়ার চেয়ে সেটিই হবে বেশি নিরাপদ।

এ বিষয়ে ইজিপ্ট ইন্ডিপেন্ডেন্ট তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, করোনাকালে জিমে যাওয়া আসলে নির্ভর করবে আপনি কোথায় বসবাস করেন এবং আপনি নিজে ও জিম কর্তৃপক্ষ কতটা পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তার ওপর।

যদি এমন হয় যে, আপনি যে এলাকায় বসবাস করেন সেই এলাকার করোনা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খুবই দুর্বল, এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, জিম থেকে দূরে থাকুন। কিন্তু যদি আপনার এলাকায় করোনা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে শরীরচর্চায় গিয়ে ঝুঁকি হ্রাসের কৌশল গ্রহণ করা যায়।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *