August 9, 2020, 9:05 am
সংবাদ শিরোনাম :
বন্ধ হবে বেসরকারি হাসপাতাল, লাইসেন্স নবায়ন না করলে ১৬জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কাল অনলাইনে একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু শিশুর অক্সিজেন মাস্ক খুলে হত্যার অভিযোগ অপহরণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশে ব্যবসার প্রধান সমস্যা দুর্নীতি করোনকালেও ‘নগদ’ এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বঙ্গমাতার জন্মদিনে শারীরিক উপস্থিতিতে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট ডিএমপিতে ছয় কর্মকর্তার বদলী শেখ হাসিনার অভিনন্দন শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকশেকে চুয়াডাঙ্গায় ও ময়মনসিংহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ লক্ষ্মীপুর ভোলা-বরিশাল লক্ষ্মীপুর সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন বিক্ষোভ বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরে সেলাই মেশিন বিতরণ লক্ষ্মীপুর জেলা উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করোনাভাইরাস আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২,৬১১ দৌলতদিয়ায় চরম ভোগান্তিতে বাসের যাত্রী, ছোট গাড়িকে অগ্রাধিকার, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামে প্রেরণা যুগিয়েছেন বঙ্গমাতা: প্রধানমন্ত্রী আজ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলর লড়াই মার্কিন নির্বাচনে চীন, রাশিয়া, ইরানের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ‘বঙ্গবন্ধুর দুই খুনীর একজনকে দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে’

করোনায় ব্যাহত মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, বাড়িতে বেড়েছে প্রসব

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

এমনিতেই দেশের পরিবার পরিকল্পনা নানা সমস্যায় জর্জরিত তার উপর করোনা পরিস্থিতির কারণে তা আরো ব্যাহত হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে মাতৃস্বাস্থ্যের ওপর। এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে প্রসবের হার যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে প্রসুতিদের খিঁচুনি ও প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার সময়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে মানুষকে পরিবার পরিকল্পনা সেবা দিতে হবে।

আগে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নারী ও প্রসুতিদের স্বাস্থ্যসেবা পরামর্শ দিলেও এখন করোনার প্রার্দূভাবে ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না স্বাস্থ্যকর্মীরা।

২০১১ সালের স্বাস্থ্য ও জনমিতি জরিপ বলছে, দীর্ঘদিন ধরে মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ৩ এ স্থির রয়েছে। গত ৫ বছরে দেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬৩ দশমিক ১ থেকে সামান্য বেড়ে ৬৩ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে। জন্ম নিয়ন্ত্রণের আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের হার বাড়লেও কমেছে স্থায়ী পদ্ধতি ব্যবহার। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের এমন স্থবিরতায় করোনা মহামারী পরিস্থিতিকে আরো বিরূপ করে তুলেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেন, যারা আমরা সেবা গ্রহণ করি আর যারা সেবা প্রদান করছে এই মহামারির কারণে তারা ঠিকমত সেবা দিতেও পারছে না ,নিতেও পারছে না। তবে বিদ্যমান যে সেবাগুলো আছে আমাদের উচিত সেগুলা অব্যাহত রাখা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, মহামারীর আগে ৫০ ভাগ প্রসব হতো বাড়িতে, এখন তা বেড়ে ৭৩ ভাগে ঠেকেছে। ফলে খিঁচুনি, রক্তক্ষরণ ও ফিস্টুলার মতো প্রসবকালীন জটিলতাগুলো বাড়ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আবু জামিল ফয়সাল বলেন, বাড়িতে প্রসব ২৩ শতাংশ বেড়েছে। প্রসব যদি বিলম্বিত হয় তাহলে ফিস্টুলা রোগটি আবার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এখন যেহেতু শারীরিকভাবে আমরা যেতে পারবো না, তাই আমাদের ডিজিটাল মাধ্যমে যেতে হবে।

জনবল সঙ্কট, সেবাসামগ্রী সরবরাহ ব্যহত হওয়া, সেবা নেয়ার চাহিদা ও সেবা ব্যবহারের সুযোগ কমে যাওয়ায় প্রজনন স্বাস্থ্যসেবায় এ সঙ্কট তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তারা।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *