August 9, 2020, 9:13 am
সংবাদ শিরোনাম :
বন্ধ হবে বেসরকারি হাসপাতাল, লাইসেন্স নবায়ন না করলে ১৬জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কাল অনলাইনে একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু শিশুর অক্সিজেন মাস্ক খুলে হত্যার অভিযোগ অপহরণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশে ব্যবসার প্রধান সমস্যা দুর্নীতি করোনকালেও ‘নগদ’ এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বঙ্গমাতার জন্মদিনে শারীরিক উপস্থিতিতে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট ডিএমপিতে ছয় কর্মকর্তার বদলী শেখ হাসিনার অভিনন্দন শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকশেকে চুয়াডাঙ্গায় ও ময়মনসিংহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ লক্ষ্মীপুর ভোলা-বরিশাল লক্ষ্মীপুর সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন বিক্ষোভ বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরে সেলাই মেশিন বিতরণ লক্ষ্মীপুর জেলা উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করোনাভাইরাস আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২,৬১১ দৌলতদিয়ায় চরম ভোগান্তিতে বাসের যাত্রী, ছোট গাড়িকে অগ্রাধিকার, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামে প্রেরণা যুগিয়েছেন বঙ্গমাতা: প্রধানমন্ত্রী আজ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলর লড়াই মার্কিন নির্বাচনে চীন, রাশিয়া, ইরানের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ‘বঙ্গবন্ধুর দুই খুনীর একজনকে দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে’

করোনাভাইরাস: দক্ষিণ এশিয়ায় ৩৯ লাখ শিশু তীব্র রুগ্নতায় ভুগবে

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

চলতি ২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় ৫ বছরের কম বয়সী ৩৯ লাখ শিশু তীব্র রুগ্নতার শিকার হতে যাচ্ছে। করোনায় সৃষ্ট অপুষ্টির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার ইউনিসেফ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে অপুষ্টি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় জোরালো পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ২৪০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে সংস্থাটি।

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণ অনুসারে, বিশ্বব্যাপী ৬৭ লাখ শিশু তীব্র রুগ্নতার শিকার হতে পারে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে। যার অর্ধেকেরও বেশি (৫৮ শতাংশ বা ৩৯ লাখ) হতে পারে শুধু দক্ষিণ এশিয়াতেই।

তীব্র রুগ্নতা হচ্ছে অপুষ্টির এমন একটি রূপ যা জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি শিশুদের খুব রুগ্ন ও দুর্বল করে দেয়। এটি তাদের মৃত্যু, সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশ না হওয়া এবং শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলে।

ইউনিসেফের মতে, কোভিড-১৯ মহামারির আগেও ২০১৯ সালে ৪ কোটি ৭০ লাখ শিশু তীব্র রুগ্নতায় ভুগেছে। যাদের মধ্যে ১৭ লাখ শিশুর বসবাস বাংলাদেশে। জরুরি পদক্ষেপ না নিলে এ বছর বিশ্বব্যাপী তীব্র রুগ্নতায় ভোগা শিশুর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখে পৌঁছতে পারে। এতে বৈশ্বিকভাবে শিশুদের তীব্র রুগ্নতায় ভোগার হার এমন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে, যা এই শতাব্দীতে আর দেখা যায়নি।

ল্যানসেটের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এর আর্থ-সামাজিক প্রভাবের কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এ বছর পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশুদের মাঝে তীব্র রুগ্নতার প্রাদুর্ভাব ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর হার এত উচ্চমাত্রায় বৃদ্ধির অর্থ হচ্ছে- বাংলাদেশে তীব্র রুগ্নতায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ২০১৯ সালের ১৭ লাখ থেকে বেড়ে ২০২০ সালে ১৯ লাখ হবে।

মহামারির আগের সময়ের তুলনায় ২০২০ সালের এপ্রিলে নানাবিধ জটিলতা নিয়ে তীব্র রুগ্নতায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের ভর্তির হার কমে হয়েছিল শুধু ১০ শতাংশ। যদিও অপরিহার্য পুষ্টি সেবাগুলো পুনরায় চালু হতে শুরু করেছে, তবে এসব সেবা এখনও তাদের যথাযথ সক্ষমতায় ফিরেনি। মহামারী শুরুর আগের সময়ের তুলনায় ২০২০ সালের জুনে হাসপাতালে ভর্তির হার ছিল ৫৬ শতাংশ।

মহামারির প্রাদুর্ভাবের প্রথম দিকের মাসগুলোতে ইউনিসেফের প্রতিবেদনে বৈশ্বিকভাবে অপরিহার্য এবং প্রায়শই জীবন রক্ষাকারী পুষ্টি পরিষেবাগুলোর আওতা সার্বিকভাবে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিছু দেশে লকডাউন ব্যবস্থার কারণে এই বিঘ্নের হার ৭৫ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে।

 

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *