রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মালবাহী ট্রেন চলাচল শুরু চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুটে কারখানা খোলায়  সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এডিস নিধনে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা সরকার কৃষকদের লাভবান করতে ভর্তুকি দিচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী সবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা দরকার: মোমেন সপ্তাহে কোটির বেশি টিকা দেওয়ার টার্গেট গার্মেন্টসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ হওয়ার আশাবাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক প্রধানমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু কাল–পরশু অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় চালান আসলো জাপান থেকে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এপিজির সভাপতি বিদেশিদের শেয়ারবাজারে উৎসাহিত করতে ’রোড শো’ অনুমোদনহীন আইপি টিভির হলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে জেলা শিক্ষা অফিসারের সচেতনতা ক্যাম্পেইন, ৫০০০ মাস্ক বিতরণ শ্রমিকদের এখন কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয় লকডাউন চলমান রাখার সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হচ্ছে তৃতীয় ধাপে ভারত থেকে আসলো ২০০ মে. টন অক্সিজেন

দেশের বেশিরভাগ ট্রেন চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ লাইনে

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

কয়েক দশক আগেই দেশের বেশিরভাগ রেললাইনের মেয়াদ। এ অবস্থায়ই ট্রেন চলছে ঝুকিঁপূর্ণ লাইন দিয়ে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরাজীর্ণ রেললাইন সংস্কারের অভাবে বাড়ছে দুর্ঘটনা, কমছে রেলের গতি। অবশ্য দ্রুত সংস্কারে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

 

ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ রুটের ৯০ কিলোমিটার রেলপথের। ৬০-৭০ বছরের পুরানো মরচে পড়া লোহার স্লিপার, তার উপর দিয়েই চলছে ট্রেন। কোথাও ভেঙ্গে গেছে সেই স্লিপার। আবার পচে নষ্ট হয়ে গেছে কাঠের স্লিপারও।

 

এখানেই শেষ নয় বেশীরভাগ জায়গায়ই নেই জয়েন্ট ক্লিপ। খুলে গেছে প্রয়োজনীয় নাট বল্টু। স্লিপারের সাথে লোহার পাতকে আটকের রাখার সংযোগ পয়েন্টও বিচ্ছিন্ন কোথাও কোথাও। নাট না থাকায় কাঠের টুকরা ব্যবহার করা হয়েছে কোথাও কোথাও। জরাজীর্ণ লাইনের পুরোটাই বেঁকে গেছে অনেক আগেই।

 

মন্ত্রী বলছেন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, পর্যায়ক্রমের দেশের সব রেল লাইন সংস্কার করা হবে।

 

রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমরা কাজ করছি একসঙ্গে। এই জন্য আমরা দুটা প্রকল্প আলাদা নিচ্ছি। আশা করছি আমরা এই বছরের মধ্যে এই প্রকল্পগুলো পেলে এই সমস্যাগুলো আর থাকবে না।’

 

বেশিরভাগ রেলসেতুও ঝুঁকিপূর্ণ বলে সম্প্রতি জানিয়েছে রেলের প্রকৌশল বিভাগ।

 

এলাকাবাসী বলেন, ‘এগুলো ইস্পাতসহ নড়ছে। সবগুলো স্লিপার ভাঙ্গা, যে হুকগুলো দিয়ে স্লিপারগুলো আটকানো সেগুলোও ভাঙ্গা। রেল আসলে এগুলো ১/২ ফুট বের হয়ে যায়।’

 

সিকি ভাগ পাথরও নেই মাইলের পর মাইল জুড়ে,মাটির নিচে দেবে গেছে লাইন। কয়েক বছর আগেও এই লাইনে ট্রেন চলতো ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে। ঝুঁকি বিবেচনায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার করা হয়েছে সম্প্রতি।

 

এলাকাবাসী আরও বলেন, ‘পাথর নাই, পানি থাকে। স্লিপারগুলো আপ-ডাউন করে। নিচে পানি জমে থাকে। নিচ থেকে কাদা উঠে। ‘

 

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরাজীর্ণ রেল লাইনের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনা। সংস্কারের উদ্যোগ না নিলে ভয়াবহ ঝুঁকিতে পড়ছে রেল ব্যবস্থা।

 

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, ‘রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যেমন রেলের দুর্ঘটনা হয় সাথে সাথে কিন্তু হতাহতের সংখ্যাও বাড়ে। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনার কারণটা বেড়ে যায়।’

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *