শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ১০:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার, তাই অনুকরণের পরিবর্তে উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে: সজীব ওয়াজেদ সুইস রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উর্গবাদী সংগঠন দেশে শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে: ওবায়দুল কাদের ৮০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি শীর্ষ ২৫ ব্যাংকে: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে: হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে থেকে কূটনীতিকের সংখ্যা কমাল  দেশ চলছে শতভাগ ব্যক্তিতন্ত্রের ওপর: গয়েশ্বর চন্দ্র ‘টেক্সট ফর ইউ’ শিরোনামে হলিউড সিনেমায় প্রিয়াঙ্কা ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘বিশ্বসুন্দরী’  প্রভাস তিন সিনেমায় নিচ্ছেন ৩০০ কোটি! রাজধানীতে ভিপি নূরের নেতৃত্বে মশাল মিছিল বার্সা উড়ছে মেসিকে ছাড়াই  প্রথম জয় বেক্সিমকো ঢাকার  নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ খরচ বাংলাদেশের প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণে সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বিনামূল্যের পাঠ্যবই আটকা যাচ্ছে তিন সংকটে শনিবার থেকে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হচ্ছে করোনা: বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার

দেশের বেশিরভাগ ট্রেন চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ লাইনে

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

কয়েক দশক আগেই দেশের বেশিরভাগ রেললাইনের মেয়াদ। এ অবস্থায়ই ট্রেন চলছে ঝুকিঁপূর্ণ লাইন দিয়ে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরাজীর্ণ রেললাইন সংস্কারের অভাবে বাড়ছে দুর্ঘটনা, কমছে রেলের গতি। অবশ্য দ্রুত সংস্কারে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

 

ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ রুটের ৯০ কিলোমিটার রেলপথের। ৬০-৭০ বছরের পুরানো মরচে পড়া লোহার স্লিপার, তার উপর দিয়েই চলছে ট্রেন। কোথাও ভেঙ্গে গেছে সেই স্লিপার। আবার পচে নষ্ট হয়ে গেছে কাঠের স্লিপারও।

 

এখানেই শেষ নয় বেশীরভাগ জায়গায়ই নেই জয়েন্ট ক্লিপ। খুলে গেছে প্রয়োজনীয় নাট বল্টু। স্লিপারের সাথে লোহার পাতকে আটকের রাখার সংযোগ পয়েন্টও বিচ্ছিন্ন কোথাও কোথাও। নাট না থাকায় কাঠের টুকরা ব্যবহার করা হয়েছে কোথাও কোথাও। জরাজীর্ণ লাইনের পুরোটাই বেঁকে গেছে অনেক আগেই।

 

মন্ত্রী বলছেন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, পর্যায়ক্রমের দেশের সব রেল লাইন সংস্কার করা হবে।

 

রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমরা কাজ করছি একসঙ্গে। এই জন্য আমরা দুটা প্রকল্প আলাদা নিচ্ছি। আশা করছি আমরা এই বছরের মধ্যে এই প্রকল্পগুলো পেলে এই সমস্যাগুলো আর থাকবে না।’

 

বেশিরভাগ রেলসেতুও ঝুঁকিপূর্ণ বলে সম্প্রতি জানিয়েছে রেলের প্রকৌশল বিভাগ।

 

এলাকাবাসী বলেন, ‘এগুলো ইস্পাতসহ নড়ছে। সবগুলো স্লিপার ভাঙ্গা, যে হুকগুলো দিয়ে স্লিপারগুলো আটকানো সেগুলোও ভাঙ্গা। রেল আসলে এগুলো ১/২ ফুট বের হয়ে যায়।’

 

সিকি ভাগ পাথরও নেই মাইলের পর মাইল জুড়ে,মাটির নিচে দেবে গেছে লাইন। কয়েক বছর আগেও এই লাইনে ট্রেন চলতো ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে। ঝুঁকি বিবেচনায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার করা হয়েছে সম্প্রতি।

 

এলাকাবাসী আরও বলেন, ‘পাথর নাই, পানি থাকে। স্লিপারগুলো আপ-ডাউন করে। নিচে পানি জমে থাকে। নিচ থেকে কাদা উঠে। ‘

 

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরাজীর্ণ রেল লাইনের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনা। সংস্কারের উদ্যোগ না নিলে ভয়াবহ ঝুঁকিতে পড়ছে রেল ব্যবস্থা।

 

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, ‘রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যেমন রেলের দুর্ঘটনা হয় সাথে সাথে কিন্তু হতাহতের সংখ্যাও বাড়ে। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনার কারণটা বেড়ে যায়।’

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *