বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তিতাসের চার কর্মকর্তাসহ ৮ জনের জামিন: মসজিদে বিস্ফোরণ বিক্ষোভ সৌদি এয়ারলাইন্সের অফিসের সামনে দেশে করোনার র‌্যাপিড টেস্টিংয়ের অনুমতি দিয়েছে সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন ট্রাম্প: বাইডেন শাহিন আফ্রিদির বিশ্বরেকর্ড ছয় ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে ফের কোভিডে রূপ দেয়া হচ্ছে নন-কোভিড হাসপাতালগুলোকে: স্বাস্থ্য সচিব ঢাবি শিক্ষার্থী বললেন মজনুই ধর্ষক করোনায় শনাক্ত সাড়ে ৩ লাখ ছাড়ালো, মৃত্যু ৪০ দুদক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির ৪৪ কোটিপতির সন্ধান পেয়েছে ছেড়ে দেয়া হয়েছে নুরকে প্রধানমন্ত্রীর করোনার দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণ রোধে প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন গ্রেফতার ভিপি নুর নোয়াখালীতে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ১১১ তলা ভবন নির্মাণ হচ্ছে ঢাকায় দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে দ্বিতীয় দফা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ ও চন্দ্রগঞ্জে ইউপি উপ-নির্বাচন ও বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১০ খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর দাবি উঠতে পারে বিএনপি নেতাদের মন্তব্যে: তথ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু, কমেছে আক্রান্ত আর্সেনালের টানা দ্বিতীয় জয় করোনা পরিস্থিতি শীতে খারাপ হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর আত্মহত্যা, বিচার না পেয়ে

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে গোদাগাড়ীর কাঁকনহাটের ঘিয়াপুকুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ স্থানীয় কাউন্সিলরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার (সেপ্টেম্বর) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশু, আকবর আলী, মেরাজুল ইসলাম। প্রত্যেকের বাড়ি ঘিয়াপুকুর মহল্লায়। তবে অভিযুক্ত মূল ধর্ষক মফিজুল ইসলামকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মফিজুলের বাবার নাম আতাউর রহমান।

নিহত গৃহবধূর নাম সখিনা বেগম (৩৫)। তার বাড়ি জেলার গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ঘিয়াপুকুর মহল্লায়। তার স্বামীর নাম কামাল হোসেন। কামাল চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে থাকেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে মফিজুল ইসলাম দুই সন্তানের মা সখিনা বেগমের ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। এসময় ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশী আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম ধর্ষক মফিজুলকে ধরে কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশুর কাছে নিয়ে যান। কিন্তু কাউন্সিলরসহ সবাই মিলে রাতেই মফিজুলকে ছেড়ে দেন। এরপর ক্ষোভে রাতেই ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

গোদাগাড়ী থানার ওসি খাইরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে তদন্তে আমরা ধর্ষণের সত্যতা পেয়েছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত ও ধর্ষণ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিলো। আলামত সংগ্রহ করে তার মরদেহ পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পুলিশকে না জানিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়ার কারণে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। সে কারণে পৌর কাউন্সিলরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আপাতত তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণ ও তার আত্মহত্যা প্ররোচনার ঘটনায় থানায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় কারাগারে পাঠানো তিনজনসহ মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হয়েছেন ধর্ষণে অভিযুক্ত মফিজুলকে। তিনি পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

 

 

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *