শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উর্গবাদী সংগঠন দেশে শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে: ওবায়দুল কাদের ৮০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি শীর্ষ ২৫ ব্যাংকে: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে: হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে থেকে কূটনীতিকের সংখ্যা কমাল  দেশ চলছে শতভাগ ব্যক্তিতন্ত্রের ওপর: গয়েশ্বর চন্দ্র ‘টেক্সট ফর ইউ’ শিরোনামে হলিউড সিনেমায় প্রিয়াঙ্কা ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘বিশ্বসুন্দরী’  প্রভাস তিন সিনেমায় নিচ্ছেন ৩০০ কোটি! রাজধানীতে ভিপি নূরের নেতৃত্বে মশাল মিছিল বার্সা উড়ছে মেসিকে ছাড়াই  প্রথম জয় বেক্সিমকো ঢাকার  নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ খরচ বাংলাদেশের প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণে সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বিনামূল্যের পাঠ্যবই আটকা যাচ্ছে তিন সংকটে শনিবার থেকে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হচ্ছে করোনা: বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার জলবায়ু পরিবর্তন ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় কর্ম-পরিকল্পনার আহ্বান সায়মা ওয়াজেদের বিশ্ব এখন করোনার ভ্যাকসিন যুগে  মানসম্মত জীবনের সব আয়োজনে আধুনিক শহর এখন ভাসানচর

লক্ষ্মীপুর জেলা জুড়ে নারিকেল গাছে মড়ক: নারিকেল রক্ষায় কৃষি বিভাগ কি মাঠে নামবেন?

মো. কাউছার:

লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি উপজেলার সব ক’টি গ্রামের নারিকেল গাছে মড়ক দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগের কোন তৎপরতা না থাকায় বাগান মালিকরা হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে। জানা যায়, নারিকেল গাছের প্রত্যেকটি ডগলা প্রথমে সবুজ থেকে হলুদ এবং পরে হলুদ রঙ থেকে মরিচা হয়ে পোড়া রঙ ধারন করে ডোগলা পাতা গুলো ঝরে পড়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গনিপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায় বাগানের পর বাগান, সব গুলো নারিকেল গাছে মড়ক লেগে আছে। এ ব্যাপারে বাগান মালিক শহিদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার সব ক’টি গাছের মধ্যে মড়ক আছে, এটা কি ধরনের রোগ, তাও জানি না। গত ২/৩ মাস ধরে এই অবস্থায় আছে। কৃষি বিভাগের কোন লোকজন আসেনি। কাউকে কোন পরামর্শও দিতে দেখিনি। আমাদের লক্ষ্মীপুর জেলা নারিকেল চাষে বিখ্যাত। এই জেলার নারিকেল গাছ গুলো রোগে আক্রান্ত। এর থেকে রক্ষা পেতে হলে কি করতে হবে, তাও আমরা জানি না।

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, জেলায় ২৫৪০হেক্টর জমিতে নারিকেল বাগান রয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২হাজার ৩৫০ মেট্রিকটন।

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো বেলাল হোসেন খান উদাসীনতার অভিযোগ আস্বীকার করে জানান, আমার কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিচ্ছে। জেলার কিছু কিছু এলাকার নারিকেল গাছে মড়ক দেখা দিয়েছে। বর্তমানে এই রোগ কমতে শুরু করেছে। প্রথমে আমরা বাগান মালিকদেরকে মাকড় নাশক এবং ৪/৫ দিন পরে ছত্র নাশক ওষধ নারিকেল গাছে দেয়ার জন্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

 

লক্ষ্মীপুর জেলা আবহমান কাল ধরে সারা দেশে নারিকেলের জন্য বিখ্যাত। প্রতি বছর টনে টনে নারিকেল লক্ষ্মীপুর থেকে সারা দেশে পাঠানো হয়। নারিকেল লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের কৃষকদের অন্যতম কৃষি ফসল। নারিকেল ও এর ছোবড়াকে কেন্দ্র করে এ জেলায় প্রচুর কারখানা গড়ে উঠেছে। অর্থকারী ফসল হিসেবে এই অঞ্চলে নারিকেলও বিখ্যাত। তাই নারিকেল বাগান গুলো রক্ষায় কৃষি অধিদপ্তর সহ সংসৃষ্ট কর্মকর্তাদের এখনি মাঠে নামতে হবে। কৃষকের আশংকা দুস্বপ্নে পরিণত হওয়ার আগেই এই মকড় মোকাবেলার দাবি জানিয়েছে কৃষকেরা।

 

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *