শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার, তাই অনুকরণের পরিবর্তে উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে: সজীব ওয়াজেদ সুইস রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উর্গবাদী সংগঠন দেশে শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে: ওবায়দুল কাদের ৮০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি শীর্ষ ২৫ ব্যাংকে: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে: হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে থেকে কূটনীতিকের সংখ্যা কমাল  দেশ চলছে শতভাগ ব্যক্তিতন্ত্রের ওপর: গয়েশ্বর চন্দ্র ‘টেক্সট ফর ইউ’ শিরোনামে হলিউড সিনেমায় প্রিয়াঙ্কা ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘বিশ্বসুন্দরী’  প্রভাস তিন সিনেমায় নিচ্ছেন ৩০০ কোটি! রাজধানীতে ভিপি নূরের নেতৃত্বে মশাল মিছিল বার্সা উড়ছে মেসিকে ছাড়াই  প্রথম জয় বেক্সিমকো ঢাকার  নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ খরচ বাংলাদেশের প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণে সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বিনামূল্যের পাঠ্যবই আটকা যাচ্ছে তিন সংকটে শনিবার থেকে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হচ্ছে করোনা: বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার

নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ শতাধিক মাদকসক্তি চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এসব চিকিৎসাকেন্দ্রে রোগীদের নির্যাতন করাসহ নানা অব্যবস্থাপনার কারণে রোগীরা সুস্থ হওয়ার বদলে উল্টো মানসিক সমস্যায় ভোগেন।

 

সেফ হোম মাদকাসক্তি পুর্নবাসন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান মানিক বলেন, ‘কিছু কিছু অবৈধ সেন্টার একই ট্রিটমেন্ট দিচ্ছে সবাইকে। এটার ফলে রোগী রিঅ্যাক্ট করছে সে সাথে রোগীর ভালো হওয়ার রেশিও কমে যাচ্ছে।’

 

তবে নিয়মের বাইরে কোনো মাদকাসক্ত চিকিৎসাকেন্দ্র চললে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার বলেন, নামই হচ্ছে নিরাময়কেন্দ্র সেখানে কেন নির্যাতন করবে, এটা কখনই কেউ চাই না। এটা যারা করে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং হবে।’

 

সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এমন চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে আসেন রোগীরা। তবে নানা অব্যবস্থাপনার কারণে স্বাভাবিক জীবন তো দূরের কথা মাসের পর মাস থাকতে হয় এক অমানবিকতার মধ্যে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজনদারি আরো বাড়ানো গেলে এসব কেন্দ্রে যেমন নিরাময় হবে, তেমনি রোগীদের দ্রুত সারিয়ে তোলাও সম্ভব।

 

ছদ্মনামের অসিম গাঁজা ও ইয়াবা আসক্ত। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এর আগে কয়েকবার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু সুস্থ হওয়া তো দূরের কথা উল্টো শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

 

ভুক্তভোগী অসিম বলেন, ‘পিলারের সাথে হাত বেঁধে আমাকে মারছিল। টর্চার করেছে দেড় মাস পর্যন্ত।’

 

রনির অবস্থাও একই। কেরানীগঞ্জের ফিউচার নামে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তির পর মারধরের শিকার হয়েছেন। পাননি নিয়মিত কাউন্সিলিং ও চিকিৎসা।

 

ভুক্তভোগী রনি বলেন, ‘শুধু শুধু মারধর করতো। আমাকে টানা ওষুধ দিয়েছে। ওষুধ খাইলে শুধু ঘুম আসতো আর হা করে থাকতাম।’

 

স্থানীয়রা জানান, কেরানীগঞ্জের ফিউচার চিকিৎসাকেন্দ্র দীর্ঘদিন লাইসেন্স বিহীন চলছিল প্রতিষ্ঠানটি। ১০ দিন আগে হঠাৎই কার্যক্রম বন্ধ করে উধাও হয়ে যায়।

 

সূত্র বলছে, রাজধানীসহ সারাদেশে অবৈধ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শতাধিক। যেখানে রোগীদের চিকিৎসার পরিবর্তে নির্যাতন-নিপীড়ন করা হয়। আর অনুমোদিত মাদকাসক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রের সংখ্যা ৩২৪টি হলেও এর বেশিরভাগই মানে না নিয়ম। ১০ জনের বিপরীতে একজন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও অনেক কেন্দ্রই তা মানছেনা। তবে বৈধ মাদকাসক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রের মালিকরা বলছেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ডের দায় নিতে হয় তাদেরও।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *