রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কারখানা খোলায়  সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এডিস নিধনে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা সরকার কৃষকদের লাভবান করতে ভর্তুকি দিচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী সবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা দরকার: মোমেন সপ্তাহে কোটির বেশি টিকা দেওয়ার টার্গেট গার্মেন্টসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ হওয়ার আশাবাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক প্রধানমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু কাল–পরশু অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় চালান আসলো জাপান থেকে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এপিজির সভাপতি বিদেশিদের শেয়ারবাজারে উৎসাহিত করতে ’রোড শো’ অনুমোদনহীন আইপি টিভির হলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে জেলা শিক্ষা অফিসারের সচেতনতা ক্যাম্পেইন, ৫০০০ মাস্ক বিতরণ শ্রমিকদের এখন কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয় লকডাউন চলমান রাখার সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হচ্ছে তৃতীয় ধাপে ভারত থেকে আসলো ২০০ মে. টন অক্সিজেন উপনির্বাচন: সিলেট-৩ আসনে ভোট  ৪ সেপ্টেম্বর

নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ শতাধিক মাদকসক্তি চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এসব চিকিৎসাকেন্দ্রে রোগীদের নির্যাতন করাসহ নানা অব্যবস্থাপনার কারণে রোগীরা সুস্থ হওয়ার বদলে উল্টো মানসিক সমস্যায় ভোগেন।

 

সেফ হোম মাদকাসক্তি পুর্নবাসন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান মানিক বলেন, ‘কিছু কিছু অবৈধ সেন্টার একই ট্রিটমেন্ট দিচ্ছে সবাইকে। এটার ফলে রোগী রিঅ্যাক্ট করছে সে সাথে রোগীর ভালো হওয়ার রেশিও কমে যাচ্ছে।’

 

তবে নিয়মের বাইরে কোনো মাদকাসক্ত চিকিৎসাকেন্দ্র চললে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার বলেন, নামই হচ্ছে নিরাময়কেন্দ্র সেখানে কেন নির্যাতন করবে, এটা কখনই কেউ চাই না। এটা যারা করে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং হবে।’

 

সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এমন চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে আসেন রোগীরা। তবে নানা অব্যবস্থাপনার কারণে স্বাভাবিক জীবন তো দূরের কথা মাসের পর মাস থাকতে হয় এক অমানবিকতার মধ্যে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজনদারি আরো বাড়ানো গেলে এসব কেন্দ্রে যেমন নিরাময় হবে, তেমনি রোগীদের দ্রুত সারিয়ে তোলাও সম্ভব।

 

ছদ্মনামের অসিম গাঁজা ও ইয়াবা আসক্ত। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এর আগে কয়েকবার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু সুস্থ হওয়া তো দূরের কথা উল্টো শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

 

ভুক্তভোগী অসিম বলেন, ‘পিলারের সাথে হাত বেঁধে আমাকে মারছিল। টর্চার করেছে দেড় মাস পর্যন্ত।’

 

রনির অবস্থাও একই। কেরানীগঞ্জের ফিউচার নামে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তির পর মারধরের শিকার হয়েছেন। পাননি নিয়মিত কাউন্সিলিং ও চিকিৎসা।

 

ভুক্তভোগী রনি বলেন, ‘শুধু শুধু মারধর করতো। আমাকে টানা ওষুধ দিয়েছে। ওষুধ খাইলে শুধু ঘুম আসতো আর হা করে থাকতাম।’

 

স্থানীয়রা জানান, কেরানীগঞ্জের ফিউচার চিকিৎসাকেন্দ্র দীর্ঘদিন লাইসেন্স বিহীন চলছিল প্রতিষ্ঠানটি। ১০ দিন আগে হঠাৎই কার্যক্রম বন্ধ করে উধাও হয়ে যায়।

 

সূত্র বলছে, রাজধানীসহ সারাদেশে অবৈধ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শতাধিক। যেখানে রোগীদের চিকিৎসার পরিবর্তে নির্যাতন-নিপীড়ন করা হয়। আর অনুমোদিত মাদকাসক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রের সংখ্যা ৩২৪টি হলেও এর বেশিরভাগই মানে না নিয়ম। ১০ জনের বিপরীতে একজন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও অনেক কেন্দ্রই তা মানছেনা। তবে বৈধ মাদকাসক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রের মালিকরা বলছেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ডের দায় নিতে হয় তাদেরও।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *