শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার, তাই অনুকরণের পরিবর্তে উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে: সজীব ওয়াজেদ সুইস রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উর্গবাদী সংগঠন দেশে শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে: ওবায়দুল কাদের ৮০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি শীর্ষ ২৫ ব্যাংকে: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে: হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে থেকে কূটনীতিকের সংখ্যা কমাল  দেশ চলছে শতভাগ ব্যক্তিতন্ত্রের ওপর: গয়েশ্বর চন্দ্র ‘টেক্সট ফর ইউ’ শিরোনামে হলিউড সিনেমায় প্রিয়াঙ্কা ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘বিশ্বসুন্দরী’  প্রভাস তিন সিনেমায় নিচ্ছেন ৩০০ কোটি! রাজধানীতে ভিপি নূরের নেতৃত্বে মশাল মিছিল বার্সা উড়ছে মেসিকে ছাড়াই  প্রথম জয় বেক্সিমকো ঢাকার  নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ খরচ বাংলাদেশের প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণে সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বিনামূল্যের পাঠ্যবই আটকা যাচ্ছে তিন সংকটে শনিবার থেকে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হচ্ছে করোনা: বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার

পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ খরচ বাংলাদেশের প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণে

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

২০১৩ সালে একনেকে অনুমোদনের পর ২০১৬ সালে কাজ শুরু হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে সাগরিকা পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধের উপর ১৫ দশমিক দুই কিলোমিটার দীর্ঘ আউটার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পটির। ২০১১ সালে সিডিএ’র হাতে নেয়া ৮৫৬ কোটির প্রকল্প একদফা সংশোধিত হয়ে দাড়ায় ১ হাজার ৪৯৬ কোটি টাকা তখনই।

 

২০১৬ সালে কাজ শুরুর পর ২০১৮ সালে ২ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা করা হয় প্রকল্পটির ব্যয় বাড়িয়ে। ২০১৯ এর জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ে। কিন্তু চলতি বছরও কাজ শেষ না হওয়ায় আরও একদফা মেয়াদ বাড়ছে প্রকল্পটির।

 

একইরকম অবস্থা কক্সবাজার বিমানবন্দরের ২০০৯ সালে হাতে নেয়া প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি, কিন্তু ব্যয় ৩০২ কোটি থেকে ৬ দফায় বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ১৫ কোটিতে। এগুলো দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি আর দক্ষতার উদাহরণ মাত্র। চলতি অর্থবছরের শেষ ছয় একনেক সভা পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনুমোদিত ২৭ প্রকল্পের ১২ টি সংশোধিত। পর্যবেক্ষকরা বলছেন উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে লাগামহীন।

 

টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে পার কিলোমিটার রোড কনস্ট্রাকশন ব্যয় এই মুহূর্তে পৃথিবীতে সর্বোচ্চ। এই ব্যয় প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাছাকাছি। যা ভারতে প্রায় ১২ বা ১৩ কোটি। এশিয়া এবং ওয়ার্ল্ড এভারেজ তার চেয়ে কম।

 

অর্থনীতিবিদ মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘এই ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন পর্যায়ে সাড়ে ৮ থেকে শুরু করে প্রায় ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মোট বাজেটের অর্থ অপচয় হয় দুর্নীতির মাধ্যমে।’

 

অর্থনীতিবিদ মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘আমাদের সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে এর অন্যতম কারণ হচ্ছে যে, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী মহলের অনিয়মের মাধ্যমে কার্যাদেশ বিক্রয় করা।’

 

টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যখন প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট করা হয় তখন ‘প্রজেক্ট ফিজিবিলিটি’ বা ‘প্রজেক্ট প্ল্যান’ এখানে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। প্রজেক্টের মনিটরিংয়ে ঘাটতি রয়েছে।’

 

অক্টোবর পর্যন্ত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ, যে গতি গেলো চারবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম চারমাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিলো ১১ শতাংশ।

 

২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দশ বছরে একেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অনুশাসন পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় ও মেয়াদ যৌক্তিক করতে তিনি বারবার তাগিদ দিয়েছেন। কিন্তু দলীয় প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম আর বাস্তবায়ন অদক্ষতায় অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *