শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উর্গবাদী সংগঠন দেশে শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে: ওবায়দুল কাদের ৮০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি শীর্ষ ২৫ ব্যাংকে: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে: হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে থেকে কূটনীতিকের সংখ্যা কমাল  দেশ চলছে শতভাগ ব্যক্তিতন্ত্রের ওপর: গয়েশ্বর চন্দ্র ‘টেক্সট ফর ইউ’ শিরোনামে হলিউড সিনেমায় প্রিয়াঙ্কা ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘বিশ্বসুন্দরী’  প্রভাস তিন সিনেমায় নিচ্ছেন ৩০০ কোটি! রাজধানীতে ভিপি নূরের নেতৃত্বে মশাল মিছিল বার্সা উড়ছে মেসিকে ছাড়াই  প্রথম জয় বেক্সিমকো ঢাকার  নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ খরচ বাংলাদেশের প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণে সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বিনামূল্যের পাঠ্যবই আটকা যাচ্ছে তিন সংকটে শনিবার থেকে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হচ্ছে করোনা: বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার জলবায়ু পরিবর্তন ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় কর্ম-পরিকল্পনার আহ্বান সায়মা ওয়াজেদের বিশ্ব এখন করোনার ভ্যাকসিন যুগে  মানসম্মত জীবনের সব আয়োজনে আধুনিক শহর এখন ভাসানচর

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট ফুলের রহস্য

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

পৃথিবীতে প্রায় ৪ লাখ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। ফুলদের প্রায় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৪০০ প্রজাতি আছে এর মধ্যে।

 

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুলের নাম রাফলেশিয়া আর্নল্ডি। প্রায় ছয় থেকে সাত কিলোগ্রাম এর ওজন হয়। এই ফুল ইন্দোনেশিয়া, মালেশিয়া, সুমাত্রায় পাওয়া যায়। এটি ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ফুল। ফুলের ব্যাস দেড় থেকে তিন ফুট পর্যন্ত হয়।

 

এ তো গেল বড় ফুলের কথা। তবে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ফুল কোনটি জানেন কি? পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট ফুল হচ্ছে সুজিপানা।

 

একবীজপত্রী উদ্ভিদ বর্গের লেমনেসিয়া গোত্রের অন্তর্গত অবাধ ভাসমান জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদ। যার বৈজ্ঞানিক নাম ওলফিয়া আরিজাহ। নাম খুব কঠিন মনে হলেও এটির সঙ্গে কিন্তু সবাই কমবেশি পরিচিত আমরা। প্রায় পুকুর বা জলাশয়ে এটি দেখে থাকবেন। একধরনের শ্যাওলা বলতে পারেন একে। তবে এগুলো এক ধরনের ফুল। যেগুলো অনেক বেশি ক্ষুদ্র হয়ে থাকে।

 

সপুষ্পক হলেও সুজিপানায় দৈবাৎ ফুল ফোটে, বংশবৃদ্ধি মূলত অঙ্গজ-মুকুলে। এগুলো বাংলাদেশ এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আছে গত এক শতক ধরে। এই ক্ষুদ্র ফুল উৎপাদনকারী উদ্ভিদটি হচ্ছে থ্যালাস (যে উদ্ভিদ পাতা, শাখা-প্রশাখা এবং মূলে বিন্যস্ত নয়) প্রজাতির উদ্ভিদ। সবুজ বা হলুদাভ সবুজ বর্ণের এই উদ্ভিদটির কোনো মূল নেই। উদ্ভিদটির দৈর্ঘ্য ১ থেকে ৫ মি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর কোনো স্বতন্ত্র কাণ্ড ও পাতা নেই। গোটা উদ্ভিদটাই আসলে চ্যাপ্টা ছোট একটি পত্রকল্প কাঠামো বা ফ্রন্ড। এ ফ্রন্ড নিচে ঝুলন্ত এক বা একাধিক কৈশিক মূলসহ একক বা দলবদ্ধ থাকে।

 

পানিতে বেড়ানো পাখিদের প্রিয়খাদ্য এটি। দ্রুত বংশবৃদ্ধিতে অন্যান্য গাছগাছালিকে সহজেই ছাড়িযে যায় এবং খরা, ঠাণ্ডা, খাদ্যাভাব ইত্যাদি পরিবেশগত দুর্যোগেও টিকে থাকতে পারে। শুধু যে পাখিদের খাদ্য তা কিন্তু নয়। বিভিন্ন দেশে মানুষের খাদ্যাভ্যাসেও রয়েছে বলে জানা যায়।

 

ফুল সাধারণত উদ্ভিদটির ওপরের স্তরে জন্মে থাকে। এর একটি করে পুংকেশর ও গর্ভকেশর থাকে। এর সম্পূর্ণ পুষ্পবিন্যাসের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১ মি.মি. হয়ে থাকে। ওলফিয়া শতকরা ৮০ ভাগ প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ। আদর্শ পরিবেশে এগুলোর জীবনকাল ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দ্বিগুণ হয়ে যায়।

 

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *