রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চসিকের ১৫ স্পটে মিলল এডিসের লার্ভা সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দরকার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে: আতিক শ্রমিকদের জন্যই সাময়িকভাবে গণপরিবহন চালু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাল ঢাকায়, ৭ আগস্ট দেশজুড়ে অক্সফোর্ডের দ্বিতীয় ডোজ মালবাহী ট্রেন চলাচল শুরু চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুটে কারখানা খোলায়  সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এডিস নিধনে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা সরকার কৃষকদের লাভবান করতে ভর্তুকি দিচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী সবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা দরকার: মোমেন সপ্তাহে কোটির বেশি টিকা দেওয়ার টার্গেট গার্মেন্টসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ হওয়ার আশাবাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক প্রধানমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু কাল–পরশু অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় চালান আসলো জাপান থেকে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এপিজির সভাপতি বিদেশিদের শেয়ারবাজারে উৎসাহিত করতে ’রোড শো’ অনুমোদনহীন আইপি টিভির হলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে জেলা শিক্ষা অফিসারের সচেতনতা ক্যাম্পেইন, ৫০০০ মাস্ক বিতরণ

বিদ্যুতের দাম ১১৮ % বেড়েছে গত১১ বছরে: ক্যাবের তথ্য

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 দেশে গত ১১ বছরে ১০ দফায় বিদ্যুতের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ (১১৮%) ওয়ার তথ্য দিয়েছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)

সোমবার ক্যাব ও ভোক্তাকণ্ঠ পত্রিকা আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সংক্রান্ত এসব তথ্য তুলে ধরে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা এই সংগঠন।

 

অনুষ্ঠানে ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের সুশাসনের ঘাটতি, জবাবদিহিতার অভাব ও ভর্তুকি পদ্ধতির কারণে বিদ্যুতের প্রকৃত দাম  বছর বছর আরও বাড়ছে।

 

“প্রতি বছর সরকার  বিদ্যুৎ খাতে ৭ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়, পরবর্তীতে তা দামের সাথে যুক্ত হলে বিদ্যুতের প্রকৃত মূল্য আরও বেড়ে যায়।”

 

পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ১১ বছরে পাইকারি পর্যায়ের  বিদ্যুতের দাম ১১৮ শতাংশ এবং খুচরা ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৮৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়েছে বল উক্ত অনুষ্ঠানে জানানো হয় ক্যাবের পক্ষ থেকে।

 

অনুষ্ঠানে লিখিত প্রবন্ধে সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিপণনকারী কোম্পানিগুলো তাদের  শেয়ার বিক্রি করে বেসরকারি মালিকানায় দিচ্ছে। যার ফলে দেখা যাচ্ছে যে, এই কোম্পানীগুলোর অর্থ বিভিন্ন ব্যাংকে অর্থ এফডিআর করে রাখা হচ্ছে। পরবর্তীতে এই শেয়ারের অর্থ কোথায় যাচ্ছে তা কেউ জানে না।

ক্যাব হিসাব করে দেখিয়েছে যে, বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর প্রয়োজন নেই, বরং তা কমিয়ে ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ করা  যেতে পারে। অথচ বিদ্যুতের দাম গত ১১ বছরে ১০ দফায় বৃদ্ধি করেছে সরকার।

 

ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক এম শামসুল আলম জানান, “আমাদের দেশের তুলনায় জার্মানসহ ইউরোপ ও উন্নত দেশগুলোতে বিদ্যুতের মূল্য কম।কারণ, তারা রূপান্তরের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাচ্ছে।আমাদেরকেও সেদিকেই যেতে হবে।

 

“আমাদের দেশে জ্বালানি খাতে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছিল গত  ১৭ বছর আগে। কিন্তু যার অগ্রগতি খুবই সামান্য।”

 

এছাড়াও  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের  শিক্ষক অধ্যাপক এমএম আকাশসহ ক্যাবের আরও বেশ কয়েকজন নেতা উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্যের মাধ্যমে তাদের অভিমত তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *