শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ১০:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার, তাই অনুকরণের পরিবর্তে উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে: সজীব ওয়াজেদ সুইস রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উর্গবাদী সংগঠন দেশে শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে: ওবায়দুল কাদের ৮০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি শীর্ষ ২৫ ব্যাংকে: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে: হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে থেকে কূটনীতিকের সংখ্যা কমাল  দেশ চলছে শতভাগ ব্যক্তিতন্ত্রের ওপর: গয়েশ্বর চন্দ্র ‘টেক্সট ফর ইউ’ শিরোনামে হলিউড সিনেমায় প্রিয়াঙ্কা ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘বিশ্বসুন্দরী’  প্রভাস তিন সিনেমায় নিচ্ছেন ৩০০ কোটি! রাজধানীতে ভিপি নূরের নেতৃত্বে মশাল মিছিল বার্সা উড়ছে মেসিকে ছাড়াই  প্রথম জয় বেক্সিমকো ঢাকার  নিরাময়ের বদলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে চলে নির্যাতন পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ খরচ বাংলাদেশের প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণে সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বিনামূল্যের পাঠ্যবই আটকা যাচ্ছে তিন সংকটে শনিবার থেকে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হচ্ছে করোনা: বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে করা মামলায় আদালত ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আজ বুধবার (২ ডিসেম্বর) এ রায় ঘোষণা করেন।

 

এর আগে, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওই দিন আদালত রায় ঘোষণার জন্য ১৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু বিচারক রায় প্রস্তুত করতে না পারায় রায় ঘোষণার জন্য ২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

 

২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরের দিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে লাশের সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন তার ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

 

এ ঘটনায় সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় পুলিশ।

 

আদালত ২০১৫ সালের ২ জুলাই আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে আদালতে বিভিন্ন সময় ১১ জন সাক্ষ্য দেন।

 

আসামিদের মধ্যে শম্পা, জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে। আর গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন, তাজুল ইসলাম তানু পলাতক রয়েছেন।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *