রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কারখানা খোলায়  সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এডিস নিধনে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা সরকার কৃষকদের লাভবান করতে ভর্তুকি দিচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী সবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা দরকার: মোমেন সপ্তাহে কোটির বেশি টিকা দেওয়ার টার্গেট গার্মেন্টসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ হওয়ার আশাবাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক প্রধানমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু কাল–পরশু অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় চালান আসলো জাপান থেকে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এপিজির সভাপতি বিদেশিদের শেয়ারবাজারে উৎসাহিত করতে ’রোড শো’ অনুমোদনহীন আইপি টিভির হলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে জেলা শিক্ষা অফিসারের সচেতনতা ক্যাম্পেইন, ৫০০০ মাস্ক বিতরণ শ্রমিকদের এখন কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয় লকডাউন চলমান রাখার সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হচ্ছে তৃতীয় ধাপে ভারত থেকে আসলো ২০০ মে. টন অক্সিজেন উপনির্বাচন: সিলেট-৩ আসনে ভোট  ৪ সেপ্টেম্বর

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে করা মামলায় আদালত ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আজ বুধবার (২ ডিসেম্বর) এ রায় ঘোষণা করেন।

 

এর আগে, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওই দিন আদালত রায় ঘোষণার জন্য ১৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু বিচারক রায় প্রস্তুত করতে না পারায় রায় ঘোষণার জন্য ২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

 

২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরের দিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে লাশের সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন তার ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

 

এ ঘটনায় সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় পুলিশ।

 

আদালত ২০১৫ সালের ২ জুলাই আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে আদালতে বিভিন্ন সময় ১১ জন সাক্ষ্য দেন।

 

আসামিদের মধ্যে শম্পা, জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে। আর গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন, তাজুল ইসলাম তানু পলাতক রয়েছেন।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *