August 3, 2020, 5:43 pm
সংবাদ শিরোনাম :
করোনাভাইরাস: আরো ২১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২,১৯৯ বন্যার্তদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠে হচ্ছে না ঈদ জামাত শুরু হলো শোকাবহ আগস্ট আজ পবিত্র ঈদুল আজহা বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত প্রায় ১ কোটি ৭৮ লাখ ভিডিও বার্তায় দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে সেচ্ছাসেবী সংগঠন আমরা ক’জন এর পক্ষ থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করোনায় ব্যতিক্রমী হজ পালন দেখলো বিশ্ববাসী শোকের মাসে চাঁদাবাজি করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: ওবায়দুল কাদের একদিনের পরামর্শক ফি ১৫ লাখ টাকায় ওয়াসায় নিয়োগ ঈদযাত্রায় আবারো চিরচেনা রুপে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এ বছর রেকর্ড গড়লো অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি দেশে অধঃস্তন আদালত ৫ই আগস্ট থেকে স্বাভাবিক হতে যাচ্ছে  সাহেদের অস্ত্র মামলার চার্জশিট দিলো গোয়েন্দা পুলিশ করোনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সীমিত পরিসরে ঈদ উদযাপন লক্ষ্মীপুরে ১১টি গ্রামে আজ আগাম ঈদুল আযহা উদযাপিত বাংলাদেশের প্রাথমিক দল নিয়ে বিতর্ক চলছেই বিশ্বকাপ বাছাইয়ে করোনাভাইরাসে একদিনে ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২,৭৭২ কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

বেহিসাবি ঠান্ডা পানি পানে হতে পারে বড় বিপদ!

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

গরমের দিনে আমরা বেহিসাবি ঠান্ডা পানি পান করে থাকি। অনেকে তো বাইরে থেকে বাড়িতে ঢুকেই ঢক ঢক করে কয়েক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করেন। তারপরই যেন মিলে স্বস্তি। তীব্র গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিই যেন একমাত্র মহৌষধ। কিন্ত এ স্বস্তিই একদিন আপনার কাল হতে পারে। বিপন্ন করে তুলতে পারে জীবনকে কারণ ঠান্ডা পানি পান স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

তবে সবসময় ঠান্ডা পানি খাওয়া কি শরীরের জন্য উপকারী? আসুন জেনে নেই ঠান্ডা পানি খাওয়ার কুফল।

১. বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার পরে ঠান্ডা পানি পানের অভ্যাস অস্বাস্থ্যকর। কারণ, এর ফলে শ্বাসনালীতে অতিরিক্ত পরিমাণে শ্লেষ্মার আস্তরণ তৈরি হয়, যা থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. মাত্রাতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পানের ফলে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পানে আমাদের স্বাভাবিক পরিপাকক্রিয়াও বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হজমের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।

৩. শরীরচর্চা বা ওয়ার্কআউটের পর ঠান্ডা পানি একেবারেই পান করা যাবে না। কারণ, ঘণ্টাখানেক ওয়ার্কআউটের পর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা বেড়ে যায়। এ সময় ঠান্ডা পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য বিঘ্নিত হয়। ফলে হজমের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়ার্কআউটের পর ঠান্ডা পানির পরিবর্তে কুসুম গরম পানি পান করলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

৪. দন্ত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পানের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে দাঁতের ভেগাস স্নায়ুর ওপর। এই ভেগাস স্নায়ু আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করলে ভেগাস স্নায়ু উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। ফলে আমাদের হৃদযন্ত্রের গতি অনেকটা কমে যেতে পারে।

তাই ঠান্ডা পানি পানের অভ্যাস থাকলে বদলে ফেলুন।

পানি পানের পরিমাণ এবং পদ্ধতি

সকালে খালি পেটে এক গ্লাস বা আড়াইশ মিলিলিটার পানি পান করতে হবে।

খাওয়ার ঠিক পরপরই পানি খাওয়া যাবে না। বরং পুরো খাওয়ার মাঝে এক কাপ পরিমাণ বা দেড়শ মিলিলিটার পানি পান করতে হবে, চুমুকে চুমুকে।

দুপুরের খাওয়ার পর থেকে রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরপর এক’দুই চুমুক পানি পান করতে হবে।

পানি মুখে নিয়ে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড রেখে তারপর গলাধঃকরণ করা উচিত।

সবসময় ফুটানোর পানি পান করতে হবে। ফুটানোর ১২ ঘণ্টা পর ওই পানি পান না করাই ভালো।

পানি পানের স্বাস্থ্যকর পরিমাণ নির্দিষ্টভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। এটি নির্ভর করে আবহাওয়া এবং একজন ব্যক্তির শারীরিক পরিশ্রমের পরিমাণের উপর। পাশাপাশি সারাদিন অন্যান্য তরল কতটা পান করা হচ্ছে সেটাও হিসেবে রাখতে হবে।

দৈনন্দিন খুঁটিনাটি সমস্যাগুলো সারাতে পানি পান করা সমস্যাগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী করে তুলতে পারে।

মনে রাখতে হবে, পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করতে, কুসুম গরম পানি পান করতে হবে, এবং ধীরে পান করতে হবে।

 

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *