মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যা ফিরিয়েছেন মন্ত্রীর আমন্ত্রণ, সিনেমার শুটিং গেলো আটকে বাংলাদেশে ম্যারাডোনাকে নিয়ে গান আমিরের সঙ্গে তর্কে জড়ানোয় আফ্রিদি শাসালেন আফগান পেসারকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ভারত থেকে সরে যেতে পারে  ইথিওপিয়ার টিগ্রেতে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে মৃত কয়েকশ মানুষ কৃষক আন্দোলনের কাছে মোদির নতিস্বীকার  মায়ের লাশ দেখার পর আবারও কারাগারে সাবেক কাউন্সিলর ইরফান কোনোভাবেই বেপরোয়া গাড়ি চালানো যাবে না: কাদের জোনায়েদ সাকি-নুর জোট গড়ছেন, সঙ্গে আছেন জাফরুল্লাহ দেশের তৃতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপিত হবে ৭০০ কোটি টাকায় চলতি বছর জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ ইন্টারপোল পি কে হালদারের সব মামলার নথি চেয়েছে করোনাভাইরাস : বিশ্বে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৬ কোটি ৩৫ লাখ সরকারি ব্যাংক টার্গেটের অর্ধেকও খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যর্থ  গৌরব ও বিজয়ের মাস শুরু আপিল বিভাগের রায়: যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে মিথ্যা তথ্য দিলে সাজা দেবে সরকার দুদকের পরামর্শে স্বাস্থ্যের দুর্নীতি বন্ধে ১৬ সুপারিশ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধ হবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ‘মানতা’ উপজাতির অন্ধকার জীবন

মাছের চামড়ার পণ্য তৈরি করে সাড়া ফেললেন মরক্কোর নারী উদ্যোক্তা

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

মরক্কোর এক নারী উদ্যোক্তা মাছের চামড়া দিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছেন। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই হওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে পণ্যগুলো ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।এই নারী উদ্যোক্তা আয়া লারাকি আশা করেন চামড়ার বিকল্প হিসেবে এই গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পারলে বন্যপ্রাণী হত্যা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

চামড়ার তৈরি পণ্য কার না ভালো লাগে। বর্তমানে বিলাসবহুল যেকোনো ব্যাগ, হাত ঘড়ি বা জুতা সবখানেই দেখা যায় চামড়ার ব্যবহার। যার বেশিরভাগই বণ্যপ্রাণী থেকে আসে।

তবে এবার এই ধারণা থেকে বেড়িয়ে এসে মাছের চামড়া দিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করছেন মরক্কোর আয়া লারাকি। ২৩ বছরের লারাকি মরক্কোর প্রথম ব্যক্তি যিনি মাছের চামড়াজাত পণ্য তৈরি করেন। তার কারখানায় তৈরি হয় বিভিন্ন ডিজাইনের ব্যাগ, মানিবাগ, চাবির রিং ও ঘড়ি। যা মাছের চামড়া দিয়ে তৈরি করায় শতভাগ পরিবেশবান্ধব।

তামারা নামের এক ক্রেতা বলেন, এই পণ্যগুলো ভালো লাগে কারণ এগুলো খুব টেকসই। এছাড়াও স্থানীয়ভাবে তৈরি হওয়ায় ব্যবহার করতে পছন্দ করি। এটি একটি মহিলার মালিকানাধীন ব্যবসা যা খুবই দুর্দান্ত ব্যাপার।

মাসে প্রায় ৪শ পণ্য উৎপাদন করেন লারাকি। যা মরক্কোর স্থানীয় দোকানের পাশাপাশি বিক্রি হয় অনলাইনেও। এই ধরনের পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়লে বন্যপ্রাণী হত্যা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করেন লারাকি।

আয়া লারাকি বলেন, যখন দেখলাম চামড়ার জন্য অন্যায়ভাবে বিভিন্ন সরীসৃপ ও বন্যপ্রাণীকে হত্যা করা হচ্ছে। তখনই এই ধরণের হত্যাকাণ্ডের বিকল্প খুঁজে বের করার কথা আমার মাথায় আসে। পরে নানা পরীক্ষা চালিয়ে দেখি মাছ ও সরীসৃপের চামড়া একই বৈশিষ্টের। তখন থেকেই মাছের চামড়া নিয়ে কাজ করা শুরু করি।

এ সকল পণ্য উৎপাদনে সাধারণত সালমন মাছের চামড়া ব্যবহার করেন লারাকি। এছাড়াও ক্ষেত্র বিশেষে সোল ও ট্রাউট মাছের চামড়া নিয়েও কাজ চলে তার কারখানায়। প্রথমে বিভিন্ন রেস্তোঁরা থেকে এ সকল চামড়া সংগ্রহ করলেও এখন পরিধি বেড়ে যাওয়ায় মাছ ব্যবসায়ী ও জেলেদের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করেন তিনি।

চামড়াগুলো সংগ্রহ করার পর থেকে পুরো প্রক্রিয়া শেষে ব্যবহারের উপযুক্ত করতে ৫ দিন সময় লাগে। মাছের চামড়ার একটি অন্যতম বৈশিষ্ট হচ্ছে এটি একই সাথে নমনীয় ও মজবুত। ভিন্নধর্মী এবং পণ্যের গুণগত মান ভালো হওয়ায় খুব কম সময়েই জনপ্রিয় হয়েছে উঠেছে লারাকির এই পণ্য।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *