রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হচ্ছে সরকারের ভুলে: ডা. জাফরুল্লাহ চসিকের ১৫ স্পটে মিলল এডিসের লার্ভা সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দরকার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে: আতিক শ্রমিকদের জন্যই সাময়িকভাবে গণপরিবহন চালু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাল ঢাকায়, ৭ আগস্ট দেশজুড়ে অক্সফোর্ডের দ্বিতীয় ডোজ মালবাহী ট্রেন চলাচল শুরু চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুটে কারখানা খোলায়  সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এডিস নিধনে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা সরকার কৃষকদের লাভবান করতে ভর্তুকি দিচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী সবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করা দরকার: মোমেন সপ্তাহে কোটির বেশি টিকা দেওয়ার টার্গেট গার্মেন্টসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ হওয়ার আশাবাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক প্রধানমন্ত্রীর সাংসদ আলী আশরাফের মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু কাল–পরশু অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় চালান আসলো জাপান থেকে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এপিজির সভাপতি বিদেশিদের শেয়ারবাজারে উৎসাহিত করতে ’রোড শো’ অনুমোদনহীন আইপি টিভির হলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, স্ত্রীকে বোন বানিয়ে

জামালপুর প্রতিনিধি:

জামালপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেতে নিজের স্ত্রী ও খালাতো বোনকে জালিয়াতি করে বোন বানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে বকশীগঞ্জের মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আশরাফুল আলম নামে ওই স্কুল শিক্ষক বকশীগঞ্জ উপজেলার রাবিয়ার চর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমান এর ছেলে।

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়ে আশরাফুলের স্ত্রী নাসরিন আক্তার এখন খেয়ার চর ও খালাতো বোন শাপলা আক্তার টুপকার চর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

জানা যায়, আশরাফুল, নাসরিন ও শাপলা ২০১৬ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন। তিন জনই জন্মসনদসহ বিভিন্ন কাগজপত্রে বাবা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের নাম উল্লেখ করেন। প্রত্যয়নপত্র ও জন্মসনদ নেওয়া হয়েছে মেরুর চর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে।

ওই ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান গোলাম মওলা বলেন, “‍মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানকে আমি চিনি। কিন্তু তাঁর কয় সন্তান তা আমার জানা ছিল না। এ সুযোগে আশরাফুল স্ত্রী ও খালাতো বোনকে নিজের বোন বানিয়ে আমার সাথে প্রতারণা করেছে।

জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়া দুই স্কুল শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও শাপলা আক্তারের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের সরন মিয়া নামের এক ব্যক্তি।
তিনি জানান, “অভিযুক্ত আশরাফুল আলম জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের স্ত্রী ও খালাতো বোনকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চাকরি দেওয়ার কথা বলে আরও অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এখন তিনি গাঁ ঢাকা দিয়েছে।

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার জানান, “অভিযোগটি পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আশরাফুল আলমের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। বাড়িতে গিয়ে আশরাফুল ও তার পরিবারের কাউকে না পাওয়া গেলেও পাওয়া যায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি হওয়া তার খালাতো বোন শাপলা আক্তারকে।

শাপলা আক্তার বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার চাকরি হয়েছে কি না, তা তিনি জানেন না। আশরাফুলই তার চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন। আর নাসরিন আক্তারও তার বোন নয়, স্ত্রী। তিনি আরও বলেন, তার বাবার নাম বেলাল মিয়া। মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমান আসলে তার খালু।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, ওই তিনজন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়েছেন। ঘটনাটি এর আগেও একবার তদন্ত হয়েছিল। কিন্তু তার ফলাফল কী হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

 

 

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *