মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যা ফিরিয়েছেন মন্ত্রীর আমন্ত্রণ, সিনেমার শুটিং গেলো আটকে বাংলাদেশে ম্যারাডোনাকে নিয়ে গান আমিরের সঙ্গে তর্কে জড়ানোয় আফ্রিদি শাসালেন আফগান পেসারকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ভারত থেকে সরে যেতে পারে  ইথিওপিয়ার টিগ্রেতে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে মৃত কয়েকশ মানুষ কৃষক আন্দোলনের কাছে মোদির নতিস্বীকার  মায়ের লাশ দেখার পর আবারও কারাগারে সাবেক কাউন্সিলর ইরফান কোনোভাবেই বেপরোয়া গাড়ি চালানো যাবে না: কাদের জোনায়েদ সাকি-নুর জোট গড়ছেন, সঙ্গে আছেন জাফরুল্লাহ দেশের তৃতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপিত হবে ৭০০ কোটি টাকায় চলতি বছর জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ ইন্টারপোল পি কে হালদারের সব মামলার নথি চেয়েছে করোনাভাইরাস : বিশ্বে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৬ কোটি ৩৫ লাখ সরকারি ব্যাংক টার্গেটের অর্ধেকও খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যর্থ  গৌরব ও বিজয়ের মাস শুরু আপিল বিভাগের রায়: যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে মিথ্যা তথ্য দিলে সাজা দেবে সরকার দুদকের পরামর্শে স্বাস্থ্যের দুর্নীতি বন্ধে ১৬ সুপারিশ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধ হবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ‘মানতা’ উপজাতির অন্ধকার জীবন

রোহিঙ্গাদের অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না

মুক্তকণ্ঠ২৪ ডেস্ক:

 

রোহিঙ্গাদের অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আসছে ইন্ধনের অভিযোগ। স্থানীয়দের মধ্যে রোহিঙ্গাদের অপরাধে জড়ানোর প্রবণতায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে ।

 

রোহিঙ্গাদের নিজেদের মধ্যে সংঘাত, মাদক চোরাচালানসহ নানা অপরাধে জড়ানোর প্রবণতা নতুন কিছু নয়। ক্যাম্পগুলো থেকে এমন কোনো না কোনো খবর আসছে প্রতিদিনই। অভিযোগ রয়েছে, অনেক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পেছনে ইন্ধন জোগায় কয়েকটি গোষ্ঠী।

 

কেবল ক্যাম্পের বাসিন্দারাই নয়, রোহিঙ্গাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশিরাও। হামলায় ঘটেছে প্রাণহানিও। উখিয়া-টেকনাফে বাংলাদেশিদের ধরে নিয়ে দাবি করা হচ্ছে মুক্তিপণ। এছাড়াও রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ঘটাচ্ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।

 

রোহিঙ্গাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান প্রয়োজন বলে মনে করছে স্থানীয় নাগরিকদের সংগঠনগুলো।

 

এদিকে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আছে দাবি করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। ক্যাম্প এলাকায় সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতে কঠোর হওয়ার কথা জানিয়েছেন কক্সবাজার পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান।

 

গত দুই মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলায় ১১ রোহিঙ্গা ও দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি।

 

এক রোহিঙ্গা নাগরিক বলেন, আমরা এখানে এসেছি ৩০ বছর হলো। এখানে এসে মারামারি কাটাকাটি কখনও দেখিনি। সন্ত্রাসীরা আমাদেরকে বলছে তারা খ্রিষ্টান ও মগ মেরে ফেলবে। আমরা অভিযোগ দেয়ার পর পুলিশ গিয়েছিল ঘটনাস্থলে। সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপর হামলা করেছে, গুলিও মেরেছে।

 

আরেকজন বলেন, আরসা বাহিনীর সন্ত্রাসী আতাউল্লা ক্যাম্পে এসে রোহিঙ্গাদের তার সাথে লিংক করতে চেয়েছিল। আমরা বলেছিলাম ৩০ বছর ধরে ক্যাম্পে আছি, সন্ত্রাসী হতে চাই না। এ কারণে আরসা বাহিনী ক্যাম্পে ঢুকে গোলাগুলি শুরু করে, বার্মার মতো।

 

 

 

মুক্তকন্ঠ২৪

নিয়মিত সকল সংবাদ পেতে মুক্তকন্ঠ২৪.কম এর ফেইসবুকে যুক্ত থাকুন

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *