বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

ইউক্রেনে রুশ সৈন্যের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু

প্রথমবারের মতো ইউক্রেনে এক রুশ সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছে। শুক্রবার এই বিচার শুরু হয়। এরই মধ্যে কিয়েভে একের পর এক গণকবরের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধে রাশিয়ার পরাজয় নিশ্চিত। এদিকে বৈশ্বিক সংকটের জন্য পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।
ইউক্রেনের ৬২ বছর বয়সী এক বেসামরিক নিরাপরাধ নাগরিককে হত্যার দায়ে ২১ বছর বয়সী ভেদিম শিশিমারিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছে। শুক্রবার তাকে কিয়েভের একটি আদালতে হাজির করা হয়। ভেদিম শিশিমারিন স্বীকার করেছেন যে তিনি রাশিয়ার সৈন্য। যুদ্ধাপরাধের মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

তবে শিশিমারিনের আইনজীবী ভিক্টর অভিসানিকভ জানিয়েছেন, তার মক্কেল এই ধরনের অপরাধে জড়িত নন বলে আদালতে জানিয়েছেন। রাশিয়া জানিয়েছে, এ ধরনের বিচারের কথা তারা জানেন না। তাদের কোনো সৈন্য যুদ্ধাপরাধ করেনি বলেও মস্কো জানিয়েছে।

বুচা এবং মারিউপোলের পর এবার ইউক্রেনের রাজধানী কিভের শহরতলি এলাকায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ উঠল রুশ সেনার বিরুদ্ধে। কিয়েভ পুলিশ প্রধান আন্দ্রে নেবিতভ জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত রাজধানীর উপকণ্ঠের এলাকাগুলিতে এক হাজারেরও বেশি দেহের সন্ধান পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ৩০০টি দেহ এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

এদিকে রুশ নৌবাহিনীর একটি লজিস্টিক জাহাজে হামলার দাবি করেছে ইউক্রেন। কৃষ্ণ সাগরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্নেক আইল্যান্ডের কাছে এই হামলায় জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। অন্যদিকে ইউক্রেন থেকে সব রুশ সেনা প্রত্যাহারের পরই রাশিয়ার ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় প্রতিরোধকে সহায়তা দিতে মিত্রদের আরো বেশি এবং দ্রুত আগানো উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.