শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

আলোচিত টিটিই শফিকুল নির্দোষ: তদন্ত প্রতিবেদন

নির্দোষ প্রমাণিত হলেন টিটিই শফিকুল

রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে বিনা টিকিটে রেল ভ্রমণকারী তিনজনকে জরিমানা করে বরখাস্ত হওয়া পাবনার ঈশ্বরদীর আলোচিত টিটিই শফিকুল ইসলাম নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।

সোমবার (১৬ মে) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে নিজ কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা নেন‌ পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহিদুল ইসলাম। পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে সহকারী পরিবহণ কর্মকর্তা (এটিও) সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি ৭ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদন এর সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরে সাইদুল ইসলাম জানান, প্রতিবেদনে টিটিইকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলা হয়েছে।

এর আগে, গেল ৭ মে ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এতে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে সহকারী পরিবহণ কর্মকর্তা (এটিও) সাজেদুল ইসলামকে প্রধান এবং সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (এইএন) শিপন আলী ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সহকারী কমান্ডেন্ট (এসিআরএনবি) আবু হেনা মোস্তফা কামালকে সদস্য করা হয়। দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও পরে আরও তিন দিন সময় বৃদ্ধি করা হয়। গত‌ বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন দাখিল করার দিন ধার্য করা থাকলেও ডিআরএম ঢাকায় মিটিংয়ে অংশগ্রহণ এবং সরকারি ছুটি থাকায় তিন দিন পর আজ এই প্রতিবেদন জমা নেয়া হল।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন একপ্রেস ট্রেনে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে বিনা টিকিটে তিন যাত্রী ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তারা ট্রেনের এসি কামরায় বসে ছিলেন। তাদের কাছে ভাড়া চাইলে টিটিই শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা–কাটাকাটি হয়।

পরে ওই তিন যাত্রী রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের আত্মীয় পরিচয় দেন। শফিকুল ইসলাম তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা ভাড়া নিয়ে এসি কামরা থেকে শোভন কামরায় পাঠান। ওই তিন যাত্রী শোভন কামরাতেই ঢাকায় পৌঁছান। এর কিছুক্ষণের মধ্যে মুঠোফোনে টিটিই শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গত রবিবার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের পর গত সোমবার শফিকুল ইসলাম পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের টিটিজ হেডকোয়ার্টারে কাজে যোগ দেন। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা-চিলাহাটিগামী আন্তনগর রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনে তাকে প্রথম দায়িত্ব দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.