মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৪১ অপরাহ্ন

তলিয়ে গেছে সিলেটে আশ্রয়কেন্দ্র ও বিস্তীর্ণ জনপদ

উজানের ঢলে তলিয়ে গেছে সিলেট সদরসহ ছয় উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ। পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ। নগরে ও গ্রামগঞ্জে বাড়িঘরে পানি ঢুকে দিনদিন ভোগান্তির মাত্রা বাড়ছে। স্বাভাবিক হচ্ছে না সিলেট নগরীর সাথে গোয়াইনঘাটসহ কয়েকটি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা । সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি বইছে বিপদসীমার ওপরে। ডুবে গেছে ফসলের ক্ষেত। ফুঁসছে সুরমা, যাদুকাটা ও রক্তি নদীর পানি।

সিলেট নগরসহ জেলার অন্তত ১০টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় তলিয়ে যাওয়া বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে মানুষজন। সেখানে গিয়েও পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটছে তাদের। একতলা বিশিষ্ট অনেক আশ্রয়কেন্দ্রের ভেতরেও বন্যার পানি উঠে গেছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাটে এমন চিত্র দেখা গেছে।

পাঁচটি পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি। তলিয়ে গেছে জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ ও সিলেট সদরের নিম্নাঞ্চল।

সিলেটের প্রধান নদ-নদীর পানি উপচে পড়ায় বন্যা উপদ্রুত এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন উপজেলা সদর, প্রধান প্রধান বাজারে পানি জমে থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রেরও সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক স্কুল-কলেজও পানি ঢুকে পড়ায় ছুটি দেয়া হয়েছে ঐসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এদিকে, বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি অর্থ ও ওষুধের সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

বন্যাকবলিতদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র খোলা ও তাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন।

সিলেট নগরে ও গ্রামের জলজট নিরসনে নদী খননের দাবি বন্যার্তদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.